পৃষ্ঠা ২১৩

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
قُلْهَلْمِنشُرَكَآئِكُممَّنيَبْدَؤُا۟ٱلْخَلْقَثُمَّيُعِيدُهُۥ ۚقُلِٱللَّهُيَبْدَؤُا۟ٱلْخَلْقَثُمَّيُعِيدُهُۥ ۖفَأَنَّىٰتُؤْفَكُونَ٣٤
বাংলাTaisirul Quran

বল ‘‘তোমরা যাদেরকে শরীক কর তাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে সৃষ্টির সূচনা করে এবং তার পুনরাবর্তনও ঘটাতে পারে?’’ বল ‘‘আল্লাহই সৃষ্টির সূচনা করেন এবং তার পুনরাবর্তন ঘটান।’’ তাহলে কীভাবে তোমরা বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছ (সত্য পথ থেকে)?

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
قُلْهَلْمِنشُرَكَآئِكُممَّنيَهْدِىٓإِلَىٱلْحَقِّ ۚقُلِٱللَّهُيَهْدِىلِلْحَقِّ ۗأَفَمَنيَهْدِىٓإِلَىٱلْحَقِّأَحَقُّأَنيُتَّبَعَأَمَّنلَّايَهِدِّىٓإِلَّآأَنيُهْدَىٰ ۖفَمَالَكُمْكَيْفَتَحْكُمُونَ٣٥
বাংলাTaisirul Quran

বল ‘‘তোমরা যাদেরকে শরীক কর তাদের কেউ কি সত্যের পথ দেখাতে পারে?’’ বল, ‘আল্লাহই সত্যের পথ দেখান।’ তবে যিনি সত্য পথে পরিচালিত করেন আনুগত্য লাভের তিনিই বেশি হাকদার, না কি সেই যাকে পথ না দেখালে পথ পায় না? তোমাদের হয়েছে কী? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছ?

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
وَمَايَتَّبِعُأَكْثَرُهُمْإِلَّاظَنًّا ۚإِنَّٱلظَّنَّلَايُغْنِىمِنَٱلْحَقِّشَيْـًٔا ۚإِنَّٱللَّهَعَلِيمٌۢبِمَايَفْعَلُونَ٣٦
বাংলাTaisirul Quran

তাদের অধিকাংশই কেবল ধারণার অনুসরণ করে, সত্যের মুকাবালায় ধারণা কোন কাজে আসে না। তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ সর্বাধিক অবগত।

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
وَمَاكَانَهَـٰذَاٱلْقُرْءَانُأَنيُفْتَرَىٰمِندُونِٱللَّهِوَلَـٰكِنتَصْدِيقَٱلَّذِىبَيْنَيَدَيْهِوَتَفْصِيلَٱلْكِتَـٰبِلَارَيْبَفِيهِمِنرَّبِّٱلْعَـٰلَمِينَ٣٧
বাংলাTaisirul Quran

এ কুরআন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো রচিত নয়। উপরন্তু তা পূর্বে যা নাযিল হয়েছিল তার সমর্থক আর বিস্তারিত ব্যাখ্যাকৃত কিতাব, এতে কোন সন্দেহ নেই, জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হতে (নাযিলকৃত)।

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
أَمْيَقُولُونَٱفْتَرَىٰهُ ۖقُلْفَأْتُوا۟بِسُورَةٍۢمِّثْلِهِۦوَٱدْعُوا۟مَنِٱسْتَطَعْتُممِّندُونِٱللَّهِإِنكُنتُمْصَـٰدِقِينَ٣٨
বাংলাTaisirul Quran

তারা কি এ কথা বলে যে, সে [অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সা.)] এটা রচনা করেছে? বল, তাহলে তোমরাও এর মত একটা সূরাহ (রচনা করে) নিয়ে এসো আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাকে পার তাকে ডেকে নাও যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক [যে মুহাম্মাদ (সাঃ)-ই তা রচনা করেছেন]।

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
بَلْكَذَّبُوا۟بِمَالَمْيُحِيطُوا۟بِعِلْمِهِۦوَلَمَّايَأْتِهِمْتَأْوِيلُهُۥ ۚكَذَٰلِكَكَذَّبَٱلَّذِينَمِنقَبْلِهِمْ ۖفَٱنظُرْكَيْفَكَانَعَـٰقِبَةُٱلظَّـٰلِمِينَ٣٩
বাংলাTaisirul Quran

বরং যে বিষয় তাদের জ্ঞানের সীমার মধ্যে আসে না, আর যার পরিণাম ফল এখনও উপস্থিত হয়নি তা তারা অস্বীকার করে। এভাবে তাদের পূর্ববর্তী লোকেরাও মিথ্যা মনে ক’রে অমান্য করেছিল। এখন দেখ, এই যালিমদের পরিণতি কী হয়েছে!

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
وَمِنْهُممَّنيُؤْمِنُبِهِۦوَمِنْهُممَّنلَّايُؤْمِنُبِهِۦ ۚوَرَبُّكَأَعْلَمُبِٱلْمُفْسِدِينَ٤٠
বাংলাTaisirul Quran

এদের কিছু লোক এতে বিশ্বাস করে আর কতক এতে বিশ্বাস করে না। তোমার প্রতিপালক এই ফাসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবহিত।

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
وَإِنكَذَّبُوكَفَقُللِّىعَمَلِىوَلَكُمْعَمَلُكُمْ ۖأَنتُمبَرِيٓـُٔونَمِمَّآأَعْمَلُوَأَنَا۠بَرِىٓءٌۭمِّمَّاتَعْمَلُونَ٤١
বাংলাTaisirul Quran

যদি তারা তোমাকে মিথ্যা জেনে অমান্য ক’রে তাহলে বল, ‘আমার কাজের জন্য আমি দায়ী, আর তোমাদের কাজের জন্য তোমরা দায়ী, আমি যা করি তার দায়-দায়িত্ব থেকে তোমরা মুক্ত, আর তোমরা যা কর তার দায়-দায়িত্ব থেকে আমি মুক্ত।’

জুয ১১পৃষ্ঠা ২১৩
وَمِنْهُممَّنيَسْتَمِعُونَإِلَيْكَ ۚأَفَأَنتَتُسْمِعُٱلصُّمَّوَلَوْكَانُوا۟لَايَعْقِلُونَ٤٢
বাংলাTaisirul Quran

এদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার কথা শুনার ভান করে। তাহলে তুমি কি বধিরকে শুনাবে, তারা না বুঝলেও?