(সে বলল), ‘আমি নিজেকে দোষমুক্ত মনে করি না, নফস্ তো মন্দ কাজে প্ররোচিত করতেই থাকে, আমার প্রতিপালক যার প্রতি দয়া করেন সে ছাড়া। আমার প্রতিপালক বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু।’
রাজা বললেন, ‘তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো, আমি তাকে আমার জন্য বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করে নেব।’ অতঃপর সে (ইউসুফ) যখন তার সাথে কথা বলল, তখন রাজা বলল, ‘আজ তুমি আমাদের কাছে খুবই মর্যাদাশীল ও বিশ্বস্ত হিসেবে পরিগণিত।’
এভাবে আমি ইউসুফকে সে দেশে প্রতিষ্ঠিত করলাম। দেশের যেখানে ইচ্ছে সে নিজের স্থান করে নিতে পারত, আমি যাকে চাই আমার রহমাত দিয়ে ধন্য করি, আমি সৎকর্মশীলদের কর্মফল কক্ষনো বিনষ্ট করি না।
সে যখন তাদের দ্রব্য সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দিল তখন সে বলল, ‘তোমরা তোমাদের সৎ ভাইকে আমার কাছে নিয়ে আসবে, তোমরা কি দেখছ না, আমি কীভাবে পাত্র ভরে দেই, আর আমি উত্তম অতিথি সেবক।
সে (ইউসুফ) তার খাদেমদেরকে বলল, ‘তারা যে পণ্যমূল্য দিয়েছে তা তাদের মাল পত্রের মধ্যে গোপনে রেখে দাও, যাতে তারা তাদের পরিবারবর্গের কাছে ফিরে গিয়ে তা জানতে পারে, তাহলে তারা আবার আসবে।’
তারপর যখন তারা তাদের পিতার কাছে ফিরে গেল তখন বলল, ‘হে আমাদের পিতা! আমাদের জন্য শষ্যের বরাদ্দ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কাজেই আমাদের ভাইকে আমাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দিন, যাতে আমরা শস্যের বরাদ্দ পেতে পারি, আমরা অবশ্যই তার হিফাযাত করব।’