আমি তাদের প্রতি দয়া করলেও আর তাদের দুঃখ দুর্দশা দূর করলেও তারা তাদের অবাধ্যতায় ঘুরপাক খেতে থাকবে।
আমি তাদেরকে শাস্তি দ্বারা পাকড়াও করেছিলাম, কিন্তু তারা তাদের প্রতিপালকের নিকট নত হল না, আর তারা কাকুতি মিনতিও করল না।
অবশেষে আমি তাদের জন্য কঠিন শাস্তির দরজা খুলে দেব, তখন তারা তাতে হতাশ হয়ে পড়বে।
তিনিই তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন কান, চোখ ও অন্তর; তোমরা কৃতজ্ঞতা অল্পই করে থাক।
তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে।
তিনিই জীবন দেন ও মৃত্যু ঘটান আর দিন-রাতের পরিবর্তন তাঁর দ্বারাই হয়, তবুও কি তোমরা বুঝবে না?
বরং তারা তাই বলেছিল যা বলেছিল আগের লোকেরা।
তারা বলে- ‘আমরা যখন মরে মাটি ও হাড়-হাড্ডি হয়ে যাব (তারপরেও কি) আমাদেরকে আসলেই আবার উঠানো হবে?
এ বিষয়ে আমাদেরকে ওয়া‘দা দেয়া হয়েছে আর অতীতে আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও। এসব তো পুরনো কালের কিসসা কাহিনী ছাড়া কিছুই না।
বল : এ পৃথিবী আর তার ভিতরে যা আছে তা কার? (বল) যদি তোমরা জান!
তারা বলবে- আল্লাহর। বল : তবুও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে না?
বলঃ সাত আসমান আর মহান আরশের মালিক কে?
তারা বলবেঃ (এগুলোর মালিকানা) আল্লাহর। বলঃ তবুও কি তোমরা (আল্লাহকে) ভয় করবে না?
বলঃ সব কিছুর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কার হাতে? তিনি (সকলকে) আশ্রয় দেন, তাঁর উপর কোন আশ্রয় দাতা নেই, (বল) তোমরা যদি জান।
তারা বলবে (সকল কিছুর কর্তৃত্ব) আল্লাহর। তাহলে কেমন করে তোমরা যাদুগ্রস্ত হয়ে পড়ছ?