তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কেমন ফয়সালা করছ?
তাহলে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?
(তোমরা যা বলছ তার স্বপক্ষে) তোমাদের কি সুস্পষ্ট দলীল-প্রমাণ আছে?
তোমরা সত্যবাদী হলে নিয়ে এসো তোমাদের কিতাব।
তারা আল্লাহ ও জ্বিন জাতির মাঝে একটা বংশ সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা ভালভাবে জানে যে, তাদেরকেও শাস্তির জন্য অবশ্যই হাজির করা হবে।
তারা যা বলে আল্লাহ সে সব (দোষ-ত্রুটি) থেকে পবিত্র।
কিন্তু আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দারা এসব কথা বলে না।
তোমরা আর তোমরা যাদের ‘ইবাদাত কর তারা
আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে তোমরা কাউকেও ফিতনায় ফেলতে পারবে না।
পারবে কেবল তাকে, যে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশকারী।
আমাদের (ফেরেশতাদের) প্রত্যেকের জন্য একটা নির্দিষ্ট স্থান আছে।
আমরা সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান (খেদমত দেয়ার জন্য)।
আমরা অবশ্যই তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।
এ লোকেরা তো বলত
আগের লোকেদের মত আমাদের কাছে যদি কোন কিতাব থাকত
তাহলে আমরা অবশ্যই আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাহ হতাম।
কিন্তু (এখন কুরআন আসার পর) তারা সেটা অমান্য ও অস্বীকার করল। তারা শীঘ্রই জানতে পারবে (এর পরিণাম)।
আমার প্রেরিত বান্দাহদের সম্পর্কে আমার এ কথা আগেই বলা আছে যে,
তাদেরকে অবশ্যই সাহায্য করা হবে।
আর আমার সৈন্যরাই বিজয়ী হবে
কাজেই কিছু সময়ের জন্য তুমি তাদেরকে উপেক্ষা কর।
আর তাদেরকে দেখতে থাক, তারা শীঘ্রই দেখতে পাবে (ঈমান ও কুফুরীর পরিণাম)।
তারা কি আমার শাস্তি তরান্বিত করতে চায়?
শাস্তি যখন তাদের উঠানে নেমে আসবে, তখন কতই না মন্দ হবে ঐ লোকেদের সকালটি যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল!
আর দেখতে থাক, শীঘ্রই তারা দেখতে পাবে (ঈমান ও কুফুরীর পরিণাম)।
সকল সম্মান ও ক্ষমতার রব্ব, তোমার প্রতিপালক পবিত্র ও মহান সে সকল কথাবার্তা হতে যা তারা আরোপ করে।
শান্তি বর্ষিত হোক রসূলদের প্রতি।
আর যাবতীয় প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই।