আর রাতের কিছু অংশে তাঁর জন্য সেজদায় অবনত হও আর রাতের দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর মহিমা বর্ণনা কর।
এ লোকেরা তো পার্থিব জীবনকে ভালবাসে আর তাদের আড়ালে যে (কিয়ামাতের) কঠিন দিন (আসছে) তাকে উপেক্ষা করে।
আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আর তাদের গঠন মজবুত করেছি। আমি যখন চাইব তখন তাদের স্থলে তাদের মত অন্য লোক আনব।
এটা এক উপদেশ, কাজেই যার ইচ্ছে সে (এ উপদেশ মান্য ক’রে) তার প্রতিপালকের পথ ধরুক।
তোমরা ইচ্ছে কর না আল্লাহর ইচ্ছে ব্যতীত। (অর্থাৎ আল্লাহ কোন কিছু কার্যকর করতে চাইলে তোমাদের মাঝে ইচ্ছে ও শক্তি সঞ্চার করতঃ তোমাদের মাধ্যমে তা কার্যকর করেন)। আল্লাহ সর্বজ্ঞাতা মহাবিজ্ঞানী।
তিনি যাকে ইচ্ছে তাঁর রাহমাতে দাখিল করেন। আর যালিমরা- তাদের জন্য তিনি প্রস্তুত করে রেখেছেন বড়ই পীড়াদায়ক শাস্তি।
পর পর পাঠানো বাতাসের শপথ যা উপকার সাধন করে,
অতঃপর তা প্রচন্ড ঝড়ের বেগে বইতে থাকে,
শপথ সেই বায়ুর যা (মেঘমালাকে) ছড়িয়ে দেয় দূর দূরান্তে,
আর বিচ্ছিন্নকারী বাতাসের শপথ যা (মেঘমালাকে) বিচ্ছিন্ন করে,
অতঃপর (মানুষের অন্তরে) পৌঁছে দেয় (আল্লাহর) স্মরণ,
(বিশ্বাসী লোকদেরকে) ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য আর (কাফিরদেরকে) সতর্ক করার জন্য।
তোমাদেরকে যার ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই সংঘটিত হবে।
যখন নক্ষত্ররাজির আলো বিলুপ্ত হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন পবর্তমালা ধুনিত হবে।
যখন (হাশরের মাঠে) রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় এসে পড়বে।
(এ সব বিষয়) কোন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে?
চূড়ান্ত ফয়সালার দিনের জন্য।
সেই চূড়ান্ত ফয়সালার দিনটি কী তা তোমাকে কিসে জানাবে?
সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য।
আমি কি আগেকার লোকেদেরকে ধ্বংস করে দেইনি?
অতঃপর পরবর্তী লোকেদেরকেও আমি তাদের অনুগামী করব।
অপরাধীদের প্রতি আমি এরকমই করে থাকি।