পৃষ্ঠা ১৭২

জুয পৃষ্ঠা ১৭২
وَإِذْقَالَتْأُمَّةٌۭمِّنْهُمْلِمَتَعِظُونَقَوْمًا ۙٱللَّهُمُهْلِكُهُمْأَوْمُعَذِّبُهُمْعَذَابًۭاشَدِيدًۭا ۖقَالُوا۟مَعْذِرَةًإِلَىٰرَبِّكُمْوَلَعَلَّهُمْيَتَّقُونَ١٦٤
বাংলাTaisirul Quran

স্মরণ কর, যখন তাদের একদল বলেছিল- ‘তোমরা এমন লোকদেরকে কেন নাসীহাত করছ যাদেরকে আল্লাহ ধ্বংস করবেন অথবা কঠিন শাস্তি দিবেন’। নাসীহাতকারীগণ বলেছিল, ‘তোমাদের প্রতিপালকের নিকট (দায়িত্ব পালন না করার) অভিযোগ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আর তারা যাতে তাক্বওয়া অবলম্বন করে।’

জুয পৃষ্ঠা ১৭২
فَلَمَّانَسُوا۟مَاذُكِّرُوا۟بِهِۦٓأَنجَيْنَاٱلَّذِينَيَنْهَوْنَعَنِٱلسُّوٓءِوَأَخَذْنَاٱلَّذِينَظَلَمُوا۟بِعَذَابٍۭبَـِٔيسٍۭبِمَاكَانُوا۟يَفْسُقُونَ١٦٥
বাংলাTaisirul Quran

যে উপদেশ তাদেরকে দেয়া হচ্ছিল তারা যখন তা ভুলে গেল তখন যারা মন্দ কাজ থেকে (অন্যদেরকে) নিষেধ করত তাদেরকে রক্ষা করলাম। আর যালিমদেরকে কঠিন আযাবে পাকড়াও করলাম যেহেতু তারা অবাধ্যতায় লিপ্ত ছিল।

জুয পৃষ্ঠা ১৭২
فَلَمَّاعَتَوْا۟عَنمَّانُهُوا۟عَنْهُقُلْنَالَهُمْكُونُوا۟قِرَدَةًخَـٰسِـِٔينَ١٦٦
বাংলাTaisirul Quran

যখন তারা চরম ধৃষ্টতা দেখিয়ে ঐ কাজগুলো করতে থাকল যা করতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল, তখন তাদের উদ্দেশ্যে বললাম, ‘ঘৃণিত অপমানিত, বানরে রূপান্তরিত হয়ে যাও’।

জুয পৃষ্ঠা ১৭২
وَإِذْتَأَذَّنَرَبُّكَلَيَبْعَثَنَّعَلَيْهِمْإِلَىٰيَوْمِٱلْقِيَـٰمَةِمَنيَسُومُهُمْسُوٓءَٱلْعَذَابِ ۗإِنَّرَبَّكَلَسَرِيعُٱلْعِقَابِ ۖوَإِنَّهُۥلَغَفُورٌۭرَّحِيمٌۭ١٦٧
বাংলাTaisirul Quran

স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক ঘোষণা করলেন যে, আমি অবশ্যই ক্বিয়ামাত পর্যন্ত বানী ইসরাঈলের উপর এমন লোকদেরকে পাঠাব যারা তাদেরকে কঠিন শাস্তি দিতে থাকবে, তোমার প্রতিপালক তো শাস্তিদানে খুবই তৎপর, আর তিনি (মন্দ পরিত্যাগকারীদের জন্য) অবশ্যই বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

জুয পৃষ্ঠা ১৭২
وَقَطَّعْنَـٰهُمْفِىٱلْأَرْضِأُمَمًۭا ۖمِّنْهُمُٱلصَّـٰلِحُونَوَمِنْهُمْدُونَذَٰلِكَ ۖوَبَلَوْنَـٰهُمبِٱلْحَسَنَـٰتِوَٱلسَّيِّـَٔاتِلَعَلَّهُمْيَرْجِعُونَ١٦٨
বাংলাTaisirul Quran

পৃথিবীতে আমি তাদেরকে নানা দলে বিভক্ত করে দিয়েছিলাম, তাদের মধ্যে কিছু দল ছিল সৎ, কতক দল অন্য রকম এবং সুখ আর দুখ দিয়ে তাদেরকে পরীক্ষা করেছিলাম যাতে তারা (আল্লাহর নির্দেশের পথে) ফিরে আসে।

জুয পৃষ্ঠা ১৭২
فَخَلَفَمِنۢبَعْدِهِمْخَلْفٌۭوَرِثُوا۟ٱلْكِتَـٰبَيَأْخُذُونَعَرَضَهَـٰذَاٱلْأَدْنَىٰوَيَقُولُونَسَيُغْفَرُلَنَاوَإِنيَأْتِهِمْعَرَضٌۭمِّثْلُهُۥيَأْخُذُوهُ ۚأَلَمْيُؤْخَذْعَلَيْهِممِّيثَـٰقُٱلْكِتَـٰبِأَنلَّايَقُولُوا۟عَلَىٱللَّهِإِلَّاٱلْحَقَّوَدَرَسُوا۟مَافِيهِ ۗوَٱلدَّارُٱلْـَٔاخِرَةُخَيْرٌۭلِّلَّذِينَيَتَّقُونَ ۗأَفَلَاتَعْقِلُونَ١٦٩
বাংলাTaisirul Quran

তাদের পরে (পাপিষ্ঠ) বংশধরগণ তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে কিতাবের উত্তরাধিকারী হয় যারা দুনিয়ার নিকৃষ্ট স্বার্থ গ্রহণ করে আর বলে, ‘(আমরা যা কিছুই করি না কেন) আমাদেরকে ক্ষমা করা হবে’। আর দুনিয়ার স্বার্থ তাদের সামনে আসলে আবার তা গ্রহণ করে নেয়। (তাওরাত) কিতাবে কি তাদের নিকট থেকে এ অঙ্গীকার নেয়া হয়নি যে তারা আল্লাহ সম্বন্ধে প্রকৃত সত্য ছাড়া বলবে না? তারা তো ঐ কিতাবে যা আছে তা পাঠ করেও থাকে। যারা তাক্বওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্য পরকালের আবাসই উত্তম, তোমরা কি বুঝবে না?

জুয পৃষ্ঠা ১৭২
وَٱلَّذِينَيُمَسِّكُونَبِٱلْكِتَـٰبِوَأَقَامُوا۟ٱلصَّلَوٰةَإِنَّالَانُضِيعُأَجْرَٱلْمُصْلِحِينَ١٧٠
বাংলাTaisirul Quran

যারা কিতাবকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে, নামায প্রতিষ্ঠা করে, আমি (এসব) সৎকর্মশীলদের কর্মফল কখনো বিনষ্ট করি না।