এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।
এবং আমাকে নি‘য়ামাতপূর্ণ জান্নাতের উত্তরাধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর।
আর তুমি আমার পিতাকে ক্ষমা কর, তিনি তো গুমরাহদের অর্ন্তভুক্ত।
এবং পুনরুত্থান দিবসে আমাকে অপমানিত করো না।
যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি কোন কাজে আসবে না।
কেবল (সাফল্য লাভ করবে) সে ব্যক্তি যে বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে আল্লাহর নিকট আসবে।
আর জান্নাতকে মুত্তাকীদের নিকটবর্তী করা হবে।
এবং পথভ্রষ্টদের সম্মুখে জাহান্নামকে উন্মোচিত করা হবে।
আর তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যার ‘ইবাদাত করতে তারা কোথায়
আল্লাহকে বাদ দিয়ে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে কিংবা তাদের নিজেদেরকে সাহায্য করতে পারে?
অতঃপর তাদেরকে ও পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে মুখের ভরে নিক্ষেপ করা হবে।
আর ইবলীসের দলবল সবাইকে।
সেখানে তারা বিতর্কে লিপ্ত হয়ে বলবে,
‘আল্লাহর কসম! আমরা অবশ্য স্পষ্ট গুমরাহীতে ছিলাম।
যখন আমরা তোমাদেরকে সর্বজগতের পালনকর্তার সমকক্ষ স্থির করতাম।
অপরাধীরাই আমাদেরকে গোমরাহ্ করেছিল।
কাজেই আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।
একজন অন্তরঙ্গ বন্ধুও নেই।
আমাদের যদি একটিবার পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ হত, তাহলে আমরা মু’মিনদের অর্ন্তভুক্ত হয়ে যেতাম।
এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই ঈমান আনে না।
তোমার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
নূহের কওম রসুলগণকে মিথ্যে ব’লে প্রত্যাখান করেছিল।
যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বলেছিল- ‘তোমরা কি ভয় করবে না (আল্লাহকে)?
আমি তোমাদের জন্য (প্রেরিত) বিশ্বস্ত রাসুল।
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ও আমার অনুসরণ কর।
আমি তার জন্য তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান একমাত্র বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছেই আছে।’
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুসরণ কর।
তারা বলল- ‘আমরা কি তোমার প্রতি বিশ্বাস করব যখন তোমার অনুসরণ করছে একেবারে নিম্নশ্রেণীর লোকেরা।’