তখন তাদের বিলাসের সামগ্রী তাদের কোন উপকারে আসবে না।
আমি এমন কোন জনপদ ধ্বংস করিনি যার জন্য কোন ভয় প্রদর্শনকারী ছিল না
স্মরণ করানোর জন্য। আমি কখনো অন্যায়কারী নই।
শয়ত্বানরা তা (অর্থাৎ কুরআন) নিয়ে অবতরণ করেনি।
তারা এ কাজের যোগ্য নয় আর তারা এর সামর্থ্যও রাখে না।
তাদেরকে এটা শোনা থেকে অবশ্যই দূরে রাখা হয়েছে।
কাজেই তুমি অন্য কোন ইলাহ্কে আল্লাহর সঙ্গে ডেক না। ডাকলে তুমি শাস্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
আর তুমি সতর্ক কর তোমার নিকটাত্মীয় স্বজনদের
যে সকল বিশ্বাসীরা তোমার আনুগত্য করে তাদের জন্য তুমি তোমার অনুকম্পার বাহু প্রসারিত কর।
তারা যদি তোমার অবাধ্যতা করে তাহলে তুমি বলে দাও- তোমরা যা কর তার সঙ্গে আমি সম্পর্কহীন।
আর তুমি প্রবল পরাক্রান্ত পরম দয়ালুর উপর নির্ভর কর;
যিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি (নামাযের জন্য) দন্ডায়মান হও।
আর (তিনি দেখেন) সাজদাকারীদের সঙ্গে তোমার চলাফিরা।
তিনি সব কিছু শোনেন, সব কিছু জানেন।
আমি কি তোমাদেরকে জানাব কাদের নিকট শয়ত্বানরা অবতীর্ণ হয়।
তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি চরম মিথ্যুক ও পাপীর নিকট।
ওরা কান পেতে থাকে আর তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।
বিভ্রান্তরাই কবিদের অনুসরণ করে,
তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদভ্রান্ত হয়ে ফিরে?
আর তারা যা বলে তা তারা নিজেরা করে না।
কিন্তু ওরা ব্যতীত যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আর আল্লাহকে খুব বেশি স্মরণ করে আর নির্যাতিত হওয়ার পর নিজেদের প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা করে। যালিমরা শীঘ্রই জানতে পারবে কোন্ (মহা সংকটময়) জায়গায় তারা ফিরে যাচ্ছে।