তখন হে গুমরাহ (সত্য) প্রত্যাখ্যানকারীরা!
তোমরা অবশ্যই জাক্কুম গাছ থেকে আহার করবে,
তা দিয়ে তোমরা তোমাদের পেট ভর্তি করবে,
আর তার উপর পান করবে ফুটন্ত পানি,
আর তা পান করবে পিপাসা-কাতর উটের মত
প্রতিফল দেয়ার দিনে এই হবে তাদের আপ্যায়ন
আমিই তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তাহলে তোমরা সত্যকে বিশ্বাস করবে না কেন?
তোমরা কি ভেবে দেখেছ- তোমরা যে বীর্য নিক্ষেপ কর,
তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না তার সৃষ্টিকর্তা আমিই।
তোমাদের মধ্যে মৃত্যু আমিই নির্ধারণ করি, আর আমি কিছুমাত্র অক্ষম নই
তোমাদের আকার আকৃতি পরিবর্তন করতে আর তোমাদেরকে (নতুনভাবে) এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জান না।
তোমরা তোমাদের প্রথম সৃষ্টি সম্বন্ধে অবশ্যই জান তাহলে (আল্লাহ যে তোমাদেরকে পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম এ কথা) তোমরা অনুধাবন কর না কেন?
তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে?
তোমরাই কি তা উৎপন্ন কর, না আমিই উৎপন্নকারী?
আমি ইচ্ছে করলে তাকে অবশ্যই খড়কুটা করে দিতে পারি, তখন তোমরা হয়ে যাবে বিস্ময়ে হতবাক।
(আর বলবে যে) ‘আমরা তো দায়গ্রস্ত হয়ে পড়লাম,
বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেলাম।
তোমরা কি পানি সম্পর্কে চিন্তা করে দেখেছ যা তোমরা পান কর?
তা কি তোমরাই মেঘ থেকে বর্ষণ কর, নাকি তার বষর্ণকারী আমিই?
আমি ইচ্ছে করলে তাকে লবণাক্ত করে দিতে পারি, তাহলে কেন তোমরা শোকর আদায় কর না?
তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করে দেখেছ?
তার (জ্বালানোর) গাছ (অর্থাৎ কাঠ) কি তোমরাই বানিয়েছ, নাকি আমিই বানিয়েছি?
আমি তাকে (অর্থাৎ আগুনকে) করেছি স্মারক (যা জাহান্নামের আগুনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়) আর মরুর অধিবাসীদের জন্য দরকারী ও আরামের বস্তু।
কাজেই (হে নবী!) তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের মহিমা ও গৌরব ঘোষণা কর।
উপরন্তু আমি শপথ করছি তারকারাজির অস্তাচলের।
তা অবশ্যই অতি বড় শপথ যদি তোমরা জানতে!