অবশ্যই তা সম্মানিত কুরআন,
(যা লিখিত আছে) সুরক্ষিত কিতাবে,
পূত-পবিত্র (ফেরেশতা) ছাড়া (শয়ত্বানেরা) তা স্পর্শ করতে পারে না,
জগৎ সমূহের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ,
তবুও কি তোমরা এ বাণীকে তুচ্ছ মনে করছ?
আর তাকে মিথ্যে বলাকেই তোমরা তোমাদের জীবিকা বানিয়ে নিয়েছ।
তাহলে কেন (তোমরা বাধা দাও না) যখন প্রাণ এসে যায় কণ্ঠনালীতে?
আর তোমরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখ,
আর আমি তোমাদের চেয়ে তার (অর্থাৎ প্রাণের) নিকটবর্তী, কিন্তু তোমরা দেখতে পাওনা।
তোমরা যদি (আমার) কর্তৃত্বের অধীন না হও
তাহলে তোমরা তাকে (অর্থাৎ তোমাদের প্রাণকে মৃত্যুর সময়) ফিরিয়ে নাও না কেন যদি তোমরা (তোমাদের দাবীতে) সত্যবাদী হয়েই থাক?
অতএব সে যদি (আল্লাহর) নৈকট্য প্রাপ্তদের একজন হয়
তাহলে (তার জন্য আছে) আরাম-শান্তি, উত্তম রিযক আর নি‘মাতে-ভরা জান্নাত।
আর যদি সে ডান দিকের একজন হয়
তাহলে হে ডানের বাসিন্দা! তোমার জন্য আছে শান্তি ও নিরাপত্তা।
আর সে যদি সত্য অস্বীকারকারী গুমরাহদের অন্তর্গত হয়,
তবে তার আপ্যায়ন হবে ফুটন্ত পানি দিয়ে।
আর (তার জন্য আছে) জাহান্নামের আগুনের দহন,
এটা সুনিশ্চিত সত্য।
কাজেই তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের গৌরব ও মহিমা ঘোষণা কর।
আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর গৌরব ও মহিমা ঘোষণা করে, তিনি প্রবল পরাক্রান্ত, মহা প্রজ্ঞাবান।
আসমান ও যমীনের রাজত্ব তাঁরই, তিনিই জীবন দেন, আর তিনিই মৃত্যু দেন, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনি প্রকাশিত আবার গুপ্ত, তিনি সকল বিষয় পূর্ণরূপে জ্ঞাত।