কাজেই আজ এখানে তার কোন বন্ধু নেই,
ক্ষত হতে পড়া পুঁজ ছাড়া কোন খাদ্য নেই,
যা অপরাধীরা ছাড়া অন্য কেউ খায় না।
আমি কসম করছি সে সব জিনিসের যা তোমরা দেখতে পাও,
আর (সে সব জিনিসেরও) যা তোমরা দেখতে পাও না
যে, অবশ্যই এ কুরআন এক মহা সম্মানিত রসূল [জিবরীল (আঃ)]-এর (বহন করে আনা) বাণী।
তা কোন কবির কথা নয়, (কবির কথা তো) তোমরা বিশ্বাস করো না,
এটা কোন গণকের কথাও নয়, (গণকের কথায় তো) তোমরা নসীহত লাভ করো না।
এটা বিশ্ব জগতের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ,
নবী যদি কোন কথা নিজে রচনা করে আমার নামে চালিয়ে দিত,
আমি অবশ্যই তার ডান হাত ধরে তাকে পাকড়াও করতাম,
তারপর অবশ্যই কেটে দিতাম তার হৃৎপিন্ডের শিরা,
অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে, (আমার গোস্বা থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য) বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
মুত্তাক্বীদের জন্য এ কুরআন অবশ্যই এক উপদেশ,
আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক লোক (কুরআনকে) অস্বীকার করবে।
আর এ কুরআন কাফিরদের জন্য অবশ্যই দুঃখ ও হতাশার কারণ হবে (যখন কুরআনে বর্ণিত শাস্তি তাদেরকে ঘিরে ধরবে)।
এটা একেবারে নিশ্চিত সত্য।
অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা কর।
এক ব্যক্তি চাইল সে ‘আযাব যা অবশ্যই সংঘটিত হবে।
কাফিরদের জন্য তা প্রতিরোধ করার কেউ নেই
(যে শাস্তি আসবে) আল্লাহর নিকট হতে যিনি আসমানে উঠার সিঁড়িগুলোর মালিক,
ফেরেশতা এবং রূহ (অর্থাৎ জিবরীল) আল্লাহর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
সুতরাং (হে নবী!) ধৈর্য ধর- সুন্দর সৌজন্যমূলক ধৈর্য।
তারা ঐ দিনটিকে সুদূর মনে করছে,
কিন্তু আমি তা নিকটে দেখতে পাচ্ছি।
সেদিন আকাশ হবে গলিত রূপার মত,
আর পাহাড়গুলো হবে রঙ্গীণ পশমের মত,
বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না,