সে বলবে, ‘হায়! আমার (এখনকার) জীবনের জন্য যদি আমি (সৎকর্ম) আগে পাঠাতাম!
অতঃপর সেদিন তাঁর শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিতে পারবে না
এবং তাঁর বাঁধনের মত কেউ বাঁধতে পারবে না।
(অপর দিকে নেককার লোককে বলা হবে) হে প্রশান্ত আত্মা!
তোমার রব-এর দিকে ফিরে এসো সন্তুষ্ট হয়ে এবং (তোমার রব-এর) সন্তুষ্টির পাত্র হয়ে।
অতঃপর আমার (নেক) বান্দাহদের মধ্যে শামিল হও
আর আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।
(কাফিররা বলছে দুনিয়ার জীবনই সবকিছু) না, আমি এই (মক্কা) নগরের শপথ করছি (যে নগরে সকলেই নিরাপদ),
আর তুমি এই নগরের হালালকারী।
শপথ জন্মদাতা (আদম)-এর আর যা সে জন্ম দিয়েছে (সেই সমস্ত মানুষের),
আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি অত্যন্ত কষ্ট ও শ্রমের মাঝে, (দুনিয়ার প্রত্যেকটি মানুষ কোন না কোন কষ্টের মধ্যে পতিত আছে)।
সে কি মনে করে যে তার উপর কেউ ক্ষমতাবান নেই?
সে (গর্বের সঙ্গে) বলে যে, আমি প্রচুর ধন-সম্পদ উড়িয়েছি।
সে কি মনে করে যে তাকে কেউ দেখেনি?
আমি কি তাকে দু’টো চোখ দিইনি?
আর একটা জিহবা আর দু’টো ঠোঁট?
আর আমি তাকে (পাপ ও পুণ্যের) দু’টো পথ দেখিয়েছি।
(মানুষকে এত গুণবৈশিষ্ট্য ও মেধা দেয়া সত্ত্বেও) সে (ধর্মের) দুর্গম গিরি পথে প্রবেশ করল না।
তুমি কি জান দুর্গম গিরিপথ কী?
(তা হচ্ছে) দাসমুক্তি।
অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে খাদ্য দান
নিকটাত্মীয় ইয়াতীমকে,
অথবা দারিদ্র-ক্লিষ্ট মিসকীনকে।
তদুপরি সে মু’মিনদের মধ্যে শামিল হয় আর পরস্পরকে ধৈর্য ধারণের ও দয়া প্রদর্শনের উপদেশ দেয়।
তারাই ডানপন্থী (সৌভাগ্যবান লোক)।
আর যারা আমার আয়াতকে অস্বীকার করে তারাই বামপন্থী (হতভাগা)।
তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে অবরুদ্ধকারী আগুন।