চরম হতভাগা ছাড়া কেউ তাতে প্রবেশ করবে না।
যে অস্বীকার করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়
তাত্থেকে দূরে রাখা হবে এমন ব্যক্তিকে যে আল্লাহকে খুব বেশি ভয় করে,
যে পবিত্রতা অর্জনের উদ্দেশ্যে নিজের ধন-সম্পদ দান করে,
(সে দান করে) তার প্রতি কারো অনুগ্রহের প্রতিদান হিসেবে নয়,
একমাত্র তার মহান প্রতিপালকের চেহারা (সন্তোষ) লাভের আশায়।
সে অবশ্যই অতি শীঘ্র (আল্লাহর নি‘মাত পেয়ে) সন্তুষ্ট হয়ে যাবে।
সকালের উজ্জ্বল আলোর শপথ,
রাতের শপথ যখন তা হয় শান্ত-নিঝুম,
তোমার প্রতিপালক তোমাকে কক্ষনো পরিত্যাগ করেননি, আর তিনি অসন্তুষ্টও নন।
অবশ্যই পরবর্তী সময় পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে তোমার জন্য হবে অধিক উৎকৃষ্ট।
শীঘ্রই তোমার প্রতিপালক তোমাকে (এত নি‘মাত) দিবেন যার ফলে তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে।
তিনি কি তোমাকে ইয়াতীম অবস্থায় পান নাই? অতঃপর তিনি আশ্রয় দিয়েছেন।
তিনি তোমাকে পেয়েছিলেন পথের দিশা-হীন, অতঃপর দেখালেন সঠিক পথ।
তিনি তোমাকে পেলেন নিঃস্ব, অতঃপর করলেন অভাবমুক্ত।
কাজেই তুমি ইয়াতীমের প্রতি কঠোরতা করবে না।
এবং ভিক্ষুককে ধমক দিবে না।
আর তুমি তোমার রব-এর নি‘মাতকে (তোমার কথা, কাজকর্ম ও আচরণের মাধ্যমে) প্রকাশ করতে থাক।
(হে নবী! ওয়াহীর মাধ্যমে প্রকৃত জ্ঞান ও মানসিক শক্তি দিয়ে) আমি কি তোমার বক্ষদেশকে প্রসারিত করে দেইনি?
আর আমি তোমার হতে সরিয়ে দিয়েছি (সমাজের অনাচার, অশ্লীলতা ও পঙ্কিলতা দেখে তোমার অন্তরে জেগে উঠা দুঃখ, বেদনা, উদ্বেগ ও অস্থিরতার) ভার,
যা তোমার কোমরকে ভেঙ্গে দিচ্ছিল।
এবং আমি (মু’মিনদের যাবতীয় আবশ্যিক ‘ইবাদাত আযান, ইক্বামাত, নামায, খুৎবাহ ইত্যাদির মাধ্যমে) তোমার স্মৃতিকে উচ্চ মর্যাদায় তুলে ধরেছি।
কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে,
নিঃসন্দেহে কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে।
কাজেই তুমি যখনই অবসর পাবে, ‘ইবাদাতের কঠোর শ্রমে লেগে যাবে,
এবং তোমার রব-এর প্রতি গভীরভাবে মনোযোগ দিবে।