যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র তুয়া প্রান্তরে ডাক দিয়ে বলেছিলেন
‘ফেরাউনের কাছে যাও, সে সীমালঙ্ঘন করেছে,
তাকে জিজ্ঞেস কর, ‘তুমি কি পবিত্রতা অবলম্বন করতে ইচ্ছুক?
আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাই যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’
অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।
কিন্তু সে অস্বীকার করল ও অমান্য করল।
অতঃপর সে (আল্লাহর বিরুদ্ধে) জোর প্রচেষ্টা চালানোর জন্য (সত্যের) উল্টোপথে ফিরে গেল।
সে লোকদেরকে একত্রিত করল আর ঘোষণা দিল।
সে বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ রব’।
পরিশেষে আল্লাহ তাকে আখেরাত ও দুনিয়ার ‘আযাবে পাকড়াও করলেন।
যে ভয় করে এমন প্রতিটি লোকের জন্য এতে অবশ্যই শিক্ষা আছে।
তোমাদের সৃষ্টি বেশি কঠিন না আকাশের? তিনি তো সেটা সৃষ্টি করেছেন।
তার ছাদ অনেক উচ্চে তুলেছেন, অতঃপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ করেছেন।
তিনি তার রাতকে আঁধারে ঢেকে দিয়েছেন, আর তার দিবালোক প্রকাশ করেছেন।
অতঃপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।
পবর্তকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,
এ সমস্ত তোমাদের আর তোমাদের গৃহপালিত পশুগুলোর জীবিকার সামগ্রী।
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে যা কিছু করার জন্য সে জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
এবং জাহান্নামকে দেখানো হবে এমন ব্যক্তিকে যে দেখতে পায়।
অতঃপর (দুনিয়ায়) যে লোক সীমালঙ্ঘন করেছিল,
আর পার্থিব জীবনকে (পরকালের উপর) প্রাধান্য দিয়েছিল
জাহান্নামই হবে তার আবাসস্থল।
আর যে লোক তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করেছিল এবং নিজেকে কামনা বাসনা থেকে নিবৃত্ত রেখেছিল,
জান্নাতই হবে তার বাসস্থান।
এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে ক্বিয়ামত সম্পর্কে- ‘কখন তা ঘটবে?’
এর আলোচনার সাথে তোমার কী সম্পর্ক?
এ সংক্রান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালক পর্যন্তই শেষ।
যারা একে ভয় করে তুমি কেবল তাদের সতর্ককারী।
যেদিন তারা তা দেখবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (পৃথিবীতে) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশি অবস্থান করেনি।